ঢাকা এয়ারপোর্ট প্রি-ডিপার্চার চেকলিস্ট, লাগেজ নিয়ম ও দূতাবাস হেল্পলাইন

বিমানবন্দরে রওনার আগের চেকলিস্ট: পাসপোর্ট এন্ডোর্সমেন্ট, NOC/GO, রিটার্ন টিকেট, ডিজিটাল অ্যারাইভাল কার্ড, কেবিন ও জমজম ব্যাগেজের নিয়ম এবং প্রবাসে বাংলাদেশ দূতাবাসের জরুরি নম্বর।

ঢাকা বিমানবন্দর (DAC): যা যা মিলিয়ে নিন

  • পাসপোর্ট ও কাগজপত্র: ফেরার তারিখ থেকে অন্তত ৬ মাস মেয়াদের পাসপোর্ট, ছাপানো রিটার্ন টিকিট, হোটেল ভাউচার, বৈধ ভিসা বা ই-ভিসা এবং পেশার প্রমাণ (NOC-সহ আইডি কার্ড, GO, ট্রেড লাইসেন্স বা স্টুডেন্ট আইডি)।
  • রিপোর্টিং সময়: আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের নির্ধারিত সময়ের ৩.৫–৪ ঘণ্টা আগে (টার্মিনাল ১, ২ বা ৩)।
  • ক্যাবিন ব্যাগ ও পাওয়ার ব্যাংক: হ্যান্ড ক্যারি সর্বোচ্চ ৭ কেজি; তরল, অ্যারোসল ও জেল ১০০ মিলিলিটারের ছোট কনটেইনারে। পাওয়ার ব্যাংক সর্বোচ্চ ২০,০০০ mAh (১০০Wh) এবং স্পেয়ার ব্যাটারি শুধু হ্যান্ড ব্যাগে—চেক-ইন ব্যাগে নয়; mAh ক্ষমতা বডিতে স্পষ্ট লেখা থাকতে হবে।
  • মুদ্রা ও সোনা: বছরে সর্বোচ্চ USD ১৮,০০০ পর্যন্ত এনডোর্স (FE সার্কুলার ৩৩): ডুয়াল-কারেন্সি কার্ড ও নগদ ডলার। ফেরার সময় ব্যক্তিগত সোনার অলংকার ১০০ গ্রাম ও মোবাইল ফোন সর্বোচ্চ ২টি পর্যন্ত শুল্কমুক্ত (Green Channel)।
  • জামজাম পানি: ইউমরাহ বা হজ ভিসাসহ যাত্রীরা অফিসিয়াল সিলবন্ধ ৫ লিটারের ১ কার্টন স্ট্যান্ডার্ড চেক-ইন ভাতার বাইরে বিনামূল্যে আনতে পারেন (জেদ্দা/মদিনা থেকে)।
  • ডিজিটাল আরাইভাল কার্ড: ছাড়ার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে মালয়েশিয়া (MDAC), সিঙ্গাপুর (SGAC/MyICA), মালদ্বীপ (IMUGA) ও থাইল্যান্ড (TDAC)-এর ফর্ম পূরণ করুন; উমরাহযাত্রীদের জন্য Saudi Visa Bio ও Nusuk অ্যাপে রেজিস্ট্রেশন প্রয়োজন।

হারানো পাসপোর্ট বা জরুরি অবস্থা

বিদেশে পাসপোর্ট হারালে বা চুরি হলে প্রথমে স্থানীয় পুলিশে জিডি (GD) করান, তারপর নিকটবর্তী বাংলাদেশ দূতাবাস বা হাই কমিশনে (কাঠমান্ডু, ব্যাংকক, কুয়ালালামপুর, সিঙ্গাপুর, মালে, আবুধাবি/দুবাই, রিয়াদ/জেদ্দা) হারানো পাসপোর্টের কপি ও এনআইডি নিয়ে ইমার্জেন্সি ট্রাভেল পারমিট (ট্রাভেল পাস) নিন—এতেই ঢাকা ফেরার ব্যবস্থা হয়।

প্রস্তুতির টুলস ও সূচি

ইংরেজিতে পড়ুন — Read this page in English